১। অনলাইন ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন (বাংলা ও ইংরেজি)
২। বৈধ পাসপোর্ট কপি (প্রবাসী হলে আবশ্যক)
৩। শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ (যদি থাকে)
৪। পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র (মৃত হলে মৃত্যু সনদ) (আবশ্যক)
৫। স্বামী/স্ত্রীর জাতীয় পরিচয়পত্র (কাবিননামা) (আবশ্যক)
৬। চেয়ারম্যান/কমিশনার কর্তৃক ওয়ারিশ/পারিবারিক সনদ (আবশ্যক)
৭। আপডেট হোল্ডিং ট্যাক্সের রশিদ/চৌকিদারী রশিদ
৮। বিদ্যুৎ বিলের কপি
৯। চেয়ারম্যান/কমিশনার কর্তৃক অনলাইন নাগরিকত্ব সনদ (আবশ্যক)
১০। চেয়ারম্যান/কমিশনার কর্তৃক নতুন ভোটার হওয়ার প্রত্যয়ন পত্র (আবশ্যক)
১১। রক্তগ্রুপ পরীক্ষার রিপোর্ট
১২। ফরম ১১
১৩। অঙ্গিকারনামা
১৪। ভূমিহীন হলে চেয়ারম্যান/কমিশনার কর্তৃক ভূমিহীন সনদ) (আবশ্যক)
নিবন্ধন কেন্দ্রে ছবি তোলা এবং বায়োমেট্রিক প্রদানকালে কিছু বিষয়ের দিকে খেয়াল রাখলে আপনি একটি সঠিক এবং নির্ভুল জাতীয় পরিচয়পত্র পেতে পারেন :-
১। নিবন্ধন কেন্দ্রে ছবি তোলা এবং বায়োমেট্রিক দেয়ার আগে তথ্যসংগ্রহকারীর কাছ হতে নিবন্ধন ফরম- ২ সংগ্রহ করে ছবি তোলার লাইনে দাড়াতে হয়। এ সময়ে তথ্যসংগ্রহকারী কর্তৃক পূরনকৃত আপনার ভোটার নিবন্ধন ফরম ভালো করে দেখে নিন যাতে কোনো ভুল না থাকে। প্রয়োজন হলে নিজের সার্টিফিকেট এবং জন্মসনদের সাথে নিবন্ধন ফরমের পূরনকৃত তথ্য মিলিয়ে নিন। নিবন্ধন ফরমে কোনো ভুল তথ্য পেলে তা তথ্য সংগ্রহকারীর কাছে গিয়ে ঠিক করে নিন।
২। নিবন্ধন কেন্দ্রে ছবি তোলা এবং বায়োমেট্রিক দেয়ার সময় ডাটা এন্ট্রি অপারেটর আপনার তথ্য তথ্য সফটওয়্যারে এন্ট্রি করে এন্ট্রিকৃত তথ্যের একটি প্রিন্ট যাচাই কপি আপনাকে প্রদান করবে। উক্ত যাচাই কপিতে আপনার তথ্য সঠিকভাবে এন্ট্রি করা হয়েছে কিনা তা যাচাই করে দেখবেন। যাচাই করে সকল এন্ট্রিকৃত তথ্য সঠিক পেলে উক্ত যাচাই কপিতে আপনি স্বাক্ষর প্রদান করবেন। আর যাচাই কপিতে এন্ট্রিকৃত তথ্যে কোনো ভুল পেলে সাথে সাথে তা ডাটা এন্ট্রি অপারেটরকে জানিয়ে ভুল সংশোধন করে নতুন আরেকটি যাচাই কপি সংগ্রহ করে সকল তথ্য সঠিক পেলে যাচাই কপিতে স্বাক্ষর করুন।
৩। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা মোতাবেক ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচি- ২০২৫ তে নিবন্ধিত ভোটারদের এন্ট্রিকৃত তথ্যের যাচাই কপি প্রদান বাধ্যতামূলক। তাই ছবি তোলা এবং বায়োমেট্রিক দেয়ার সময় আপনার এন্ট্রিকৃত তথ্যের যাচাই কপি বুঝে নিন।
৪। ভোটার নিবন্ধন ফরমে দুটি স্থানে আপনার স্বাক্ষরের জায়গা থাকে। একটি স্বাক্ষর দিতে হয় তথ্যসংগ্রহকারী কর্তৃক পূরনকৃত ফরম যাচাই করে সকল তথ্য সঠিক আছে উল্লেখ করে। আরেকটি স্বাক্ষর দিতে হয় ছবি তোলার মূহুর্তে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর সকল তথ্য নির্ভুলভাবে এন্ট্রি করেছে উল্লেখ করে। দুটি স্বাক্ষর দেওয়ার আগে অবশ্যই তথ্য যাচাই করে নিবেন।
৫। নিবন্ধন কেন্দ্রে ছবি তোলা এবং বায়োমেট্রিক দেয়ার সময় আপনি সিগনেচার প্যাডে যে স্বাক্ষর দিবেন সেটিই আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের স্বাক্ষর হিসাবে প্রিন্ট হবে। আপনি প্রাত্যহিক জীবনের নানান ক্ষেত্রে যে স্বাক্ষর ব্যবহার করেন, সিগনেচার প্যাডে সেই স্বাক্ষরই দেয়া উচিৎ।
৬। নিবন্ধন কেন্দ্রে ছবি তোলার জন্য সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তাই নিবন্ধন কেন্দ্রে ছবি তুলতে যাওয়ার সময় সাদা রংয়ের পোশাক পরিধান থেকে বিরত থাকা উচিৎ।
৭। নিবন্ধন কেন্দ্রে তোলা ছবিই আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রে আসবে বিধায় শার্ট বা অন্যান্য ফরমাল পোশাক পড়ে ছবি তোলা উচিৎ। ছবি তোলার ক্ষেত্রে অবশ্যই গোল গলার গেঞ্জি পড়া থেকে বিরত থাকা উচিৎ।
৮। নিবন্ধন কেন্দ্রে ছবি তোলার সময় আপনার কান পর্যন্ত দৃশ্যমান হতে হবে। এ বিষয়ে বাসা থেকেই পূর্বপ্রস্তুতি নিয়ে যাওয়া উত্তম।
৯। নিবন্ধন কেন্দ্রে বায়োমেট্রিক দেয়ার সময় আপনার হাতের ১০ আংগুলের ছাপ নেয়া হবে বিধায় বাসা থেলে সুন্দরভাবে হাতের আংগুল পরিষ্কার করে যাওয়া উচিৎ।
১০। ভোটার নিবন্ধন কেন্দ্রে ছবি তোলা এবং বায়োমেট্রিক দেয়ার পরে আপনাকে যে স্লিপ (ফরম-৫) দেয়া হবে তা ভালোভাবে সংরক্ষণ করা উচিৎ। ভবিষ্যতে স্মার্ট কার্ড প্রদানের সময় এই স্লিপটি জমা দিতে হবে।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস